কোন অক্সাইড অম্লধর্মী না ক্ষারধর্মী তা বুঝার জন্য আমরা দুইটা উপায়ে কাজ করতে পারি : 1. উক্ত অক্সাইডকে পানির সাথে বিক্রিয়া করতে হবে। পানির সাথে বিক্রিয়ায় যদি উৎপাদে শুধু অম্ল উৎপন্ন হলে অক্সাইড টি অম্লীয় অথবা শুধু ক্ষার উৎপন্ন হয় তাহলে অক্সাইড টি ক্ষারীয়। 2. উক্ত অক্সাইডের সাথে এসিড বা ক্ষার বিক্রিয়া করে দেখতে হবে অক্সাইড কার সাথে বিক্রিয়া করে। অক্সাইড টি যদি অম্লীয় হয় তবে সে ক্ষারের সাথে বিক্রিয়ায় লবন পানি উৎপন্ন করবে। আর যদি অক্সাইড টি ক্ষারীয় হয় তবে তা অম্লের সাথে বিক্রিয়ায় লবন পানি উৎপন্ন করবে। আবার যদি কোনো অক্সাইড যদি এসিড বা ক্ষার…
অম্লীয় অক্সাইডঃ যেসব অক্সাইড ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি গঠন করে তাদেরকে অম্লীয় অক্সাইড বলে। অধাতব অক্সাইড গুলোকে পানিতে দ্রবীভূত করলে এসিড গঠন করে। সেই এসিড ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি গঠন করে, সেই কারণে অধাতুর অক্সাইড অম্লীয় হয় । কিছু অধাতুর অক্সাইড যেমনঃ বোরন অক্সাইড (B₂O₃), কার্বন ডাই অক্সাইড (CO₂), নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড (NO₂), নাইট্রোজেন ট্রাই অক্সাইড (N₂O₃), নাইট্রোজেন পেন্টা অক্সাইড (N₂O₅), ফসফরাস ট্রাই অক্সাইড (P₂O₃), ফসফরাস পেন্টা অক্সাইড (P₂O₅), সিলিকন ডাই অক্সাইড (SiO₂), সালফার ট্রাই অক্সাইড (SO₃), সা…
ক্ষারীয় অক্সাইডঃ যেসব অক্সাইড এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি গঠন করে তাদেরকে ক্ষারীয় অক্সাইড বলে। ধাতব অক্সাইড গুলোকে পানিতে দ্রবীভূত করলে ক্ষার গঠন করে। সেই ক্ষার এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি গঠন করে, সেই কারণে ধাতব অক্সাইড ক্ষারীয় হয়। ধাতুসমূহ অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে ধাতুর অক্সাইড গঠন করে। যেমনঃ ম্যাগনেসিয়াম (Mg) অক্সিজেনের (O₂) সাথে বিক্রিয়া করে ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) গঠন করে। 2Mg + O₂ -----------> 2MgO এক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়াম পরমাণু তার বহিঃস্থ কক্ষপথ হতে দুটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে Mg²+ আয়ন গঠন করে। অপর…
Copyright (c) 2021 Chemist Care All Right Reseved
Social Plugin